জীবনকথা ও প্রতিভার মূল্যায়ন

– প্রফেসর মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে খ্যাতিমান কবি বন্দে আলী মিয়া। পল্লী কবি হিসেবে তাঁর পরিচিতি। ১৯০৬ সালের ১৭ই জানুয়ারি পাবনা শহরের উপকণ্ঠ রাধানগরে তাঁর জন্ম। তাঁর পিতার নাম মুন্সী উমেদ আলি মিয়া, মাতার নাম নেকজান নেসা। শৈশবে বাড়ির নিকটবর্তী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রাধানগর মজুমদার একাডেমীতে ভর্তি হন। ১৯২৩-এ এই প্রতিষ্ঠান থেকে ম্যাট্রিক পাশ করেন। অতঃপর কলকাতা গমন এবং সাহিতের বিচিত্র দিকে পদচারণা।
বন্দে আলী মিয়ার মতো শিল্পী যে কোন দেশের সাহিত্যের ইতিহাসে মূল্যবান সম্পদ। এ রকম শিল্পী সচরাচর জন্ম হয় না। অনেক দিন অপেক্ষা করতে হয় এ রকম প্রতিভার জন্য। বাংলা সাহিত্যে পল্লীকবি বলতে আমরা সকলেই কবি জসীমউদ্দীনের নাম জানি। এক্ষেত্রে জসীমউদ্দীনের পরেই কবি বন্দে আলী মিয়ার স্থান। সমকালীন কিংবা পরবর্তীতে আরও অনেকেই পল্লীকবিতা লিখেছেন। এঁদের মধ্যে ওহীদুল আলম, রওশন ইজদানী প্রমুখের নাম করা যেতে পারে। কিন্তু সত্যি কথা বলতে কি- এঁরা কেউই কবি বন্দে আলী মিয়ার ধারে কাছে যেতে পারেননি।
বাংলা সাহিত্যে কবি বন্দে আলী মিয়ার অনবদ্য অবদান ‘ময়নামতির চর’ (১৯৩২)। এর অধিকাংশ কবিতা প্রকাশিত হয় জলধর সেন সম্পাদিত ‘ভারতবর্ষ’ পত্রিকায়। এ কাব্য কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। এর ভূমিকায় তাঁর বক্তব্য-
‘তোমার ময়নামতির চর কাব্যখানিতে পদ্মা চরের দৃশ্য এবং তার জীবনযাত্রার প্রত্যক্ষ ছবি দেখা গেল, পড়ে বিশেষ আনন্দ পেয়েছি। তোমার রচনা সহজ এবং স্পষ্ট, কোথাও ফাঁকি নেই। সমস্ত মনের অনুরাগ দিয়ে তুমি দেখছো এবং কলমের অনায়াস ভঙ্গিতে লিখছো। তোমার সুপরিচিত প্রাদেশিক শব্দগুলো যথাস্থানে ব্যবহার করতে তুমি কুণ্ঠিত হওনি, তা’তে ক’রে কবিতাগুলি আরও সরস হয়ে উঠেছে। পদ্মাতীরের পাড়াগায়ের এমন নিকট স্পর্শ বাংলা ভাষার আর কোন কবিতায় পেয়েছি বলে আমার মনে পড়ছে না। বাংলা সাহিত্যে তুমি আপন বিশেষ স্থানটি অধিকার করতে পেরেছ বলে আমি মনে করি।’
এ ছাড়া তাঁর অন্যান্য কাব্যের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘অনুরাগ’ (১৯৩৩), ‘পদ্মানদীর চর’ (১৯৩৩), স্বপ্নসাধ (১৯৩৬), ‘মধুমতির চর’ (১৯৪৬), ‘দক্ষিণ দিগন্ত’ (১৯৬৮) ও ‘কলমিলতা’।
কাব্যের ক্ষেত্রে কবি বন্দে আলী মিয়া বিশেষ প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন। বন্দে আলী মিয়ার এই কৃতিত্বের রহস্য কোথায়? আমি মনে করি এই রহস্যের মূল নিহিত রয়েছে তার প্রকৃতির মধ্যে। মানুষ হিসেবে তিনি যেমন সহজ সরল, অনুরূপ কবি হিসেবেও শব্দ চয়নের ক্ষেত্রে একই রকম সারল্যের পরিচয় দিয়েছেন। গ্রামের কথা, কৃষাণ-কৃষাণীর সুখ-দুঃখ তিনি অত্যন্ত সহজ সরল ভাষায় প্রকাশ করেছেন। এই প্রকাশের মধ্যে কোন কৃত্রিমতা নেই, নেই কোন কষ্টকল্পনা। তাঁর কবিতার মধ্যে কোন ‘ইজম’ নেই। আর ‘ইজম’ নেই বলে তাঁর কবিতা জনতোষিণী নয়, মনতোষিণী ।

বন্দে আলী মিয়ার কবিতার সবচেয়ে বড় সম্পদ তার চিত্রধর্মিতা। এবং আর এক বৈশিষ্ট্য শব্দচয়ন। বন্দে আলী মিয়ার কবিতায় আমরা লক্ষ্য করি বিশেষ কিছু শব্দের ব্যবহার। এটাকে আমরা নিজস্ব কবিভাষা বা Poetic diction হিসেবেও চিহ্নিত করতে পারি। যে শব্দগুলি তাঁর কবিতায় বেশি ব্যবহৃত হয়েছে তা হল-
নথ, ধান, সোনা, গাঁও, আথাল, মাথাল, জোয়াল, গোয়াল, লাঙ্গল, রাখাল, মেঠো, শিকা, কুঁড়ে, কৃষাণী, ঘাস, মিঠেল, কলমি, হিজল, গাঙ, নোলক, বালা, জোনাকি ইত্যাদি।
কবিতার পাশাপাশি বন্দে আলী মিয়া ছোট গল্প, উপন্যাস, প্রহসন, নাটক, জীবনকথা, স্মৃতিকথা, গান ইত্যাদি বিচিত্র দিকে বিচরণ করেছেন। শিশুতোষ রচনার ক্ষেত্রে তিনি ঈর্ষণীয় কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। এবং এ ক্ষেত্রে তাঁর রচনার সংখ্যাও প্রচুর। শতাধিক গ্রন্থ তিনি লিখেছেন।
এছাড়া গানের ক্ষেত্রে কবি বন্দে আলী মিয়া বিশেষ কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। বিচিত্র ধরনের গান তিনি লিখেছেন । হাম্দ, নাত থেকে শুরু ক’রে পল্লীগীতি, দেশাত্মবোধক, আধুনিক, হাসির গান প্রচুর তিনি রচনা করেছেন। এর মধ্যে অনেক গান হিজ মাস্টার্স ভয়েস, কলম্বিয়া, মেগাফোন ইত্যাদি কোম্পানী থেকে রেকর্ড হয়েছে এবং জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। বন্দে আলী মিয়ার কিছু গান হারিয়ে গেছে। এগুলো সংগ্রহ করা দরকার।
বন্দে আলী মিয়া পাবনার asset, পাবনার গর্ব, অহঙ্কার। পল্লীকবি বলে তাঁকে অবজ্ঞার কিছু নেই। রবীন্দ্রনাথ তাঁর কবিতার প্রশংসা করেছিলেন। শুধু কবিতার ক্ষেত্রেই নয়, বাংলা সাহিত্যের বিচিত্র দিকে তিনি পদচারণা করেছেন। এবং এ বিচরণ স্বচ্ছন্দ ও সাবলীল। বন্দে আলী মিয়ার ওপর কয়েকটি গ্রন্থ রচিত হয়েছে। পত্র-পত্রিকায় বেশ কিছু প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। তার পরেও একথা নির্দ্বিধ চিত্তে বলা যায়, তাঁর প্রতিভার যথাযথ মূল্যায়ন হয়নি। বন্দে আলী মিয়ার ওপর আরও গবেষণার অপেক্ষা রাখে।
কবি বন্দে আলী মিয়ার ওপর কিছু লিখতে গিয়ে চোখের সামনে ভেসে উঠছে ষাট বছর আগের স্মৃতি। কবি বন্দে আলী মিয়া ধীর পদক্ষেপে চলেছেন পাবনা শহরের পুরোনো ব্রীজের ওপর দিয়ে শহরের দিকে। হাতে ছাতা। সহজ সরল মানুষ। পোশাক পরিচ্ছদেও সারল্যের ছাপ। কবি নজরুলের মতো উচ্ছল প্রাণবন্ত নন, মানুষ হিসেবে কিছুটা নিরিবিলি প্রিয়। বন্দে আলী মিয়া মজলিশী মানুষ ছিলেন না। হৈ চৈ তাঁর প্রকৃতিবিরুদ্ধ। ধীরস্থির স্বভাবের মানুষ। তাঁর মধ্যে কোন অহং ভাব ছিল না। কেউ কথা বললে তার সঙ্গে ভালো ভাবেই কথা বলতেন। চোখের সামনে ভাসছে ’৬৮ এবং ’৬৯ সনে পাবনা জেলা কাউন্সিল-এর মুখপত্র ‘পাবনা’ পত্রিকা কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে আয়োজিত রশীদ হলের অনুষ্ঠানে কবি বন্দে আলী মিয়ার সৌম্য মুখ। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উল্লেখ্য নাম ‘বিদায় হজ’ কবিতার রচয়িতা কবি আবুল হাশেম এবং প্রাবন্ধিক ডক্টর গোলাম সাকলায়েন। বন্দে আলী মিয়া নীরবে সাহিত্য অনুষ্ঠান উপভোগ করছেন। দেশের একজন বরেণ্য সাহিত্যিক হওয়া সত্ত্বেও তাঁর মধ্যে কোন রকম আহামরি ভাব দেখিনি। একজন বিশিষ্ট কবি এবং ভালো মানুষের সমন্বয় আমি তাঁর মধ্যে লক্ষ্য করেছি। বন্দে আলী মিয়ার জীবন থেকে অনেক কিছু পাঠ নেয়ার আছে। রাতারাতি কবি খ্যাতি তিনি পাননি। এর জন্য তাঁকে সাধনা করতে হয়েছে। অনেক প্রতিকূল পরিবেশ অতিক্রম করতে হয়েছে। তাঁর সাধনা, ধৈর্য, সহজ সরল ভাব, বিনয় এগুলি একজন মহৎ মানুষের বিরল গুণ। আজ আমাদের দেশে মূল্যবোধের যে অবক্ষয় তা থেকে মুক্তি কল্পে বর্তমান প্রজন্মকে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের জীবন থেকে অনেক পাঠ নিতে হবে। বন্দে আলী মিয়ার জীবন থেকেও অনেক কিছু গ্রহণ করা যেতে পারে।
বন্দে আলী মিয়া সাহিত্যের বিচিত্র দিকে পদচারণা করেছেন। তাঁর বইয়ের সংখ্যা প্রচুর। মুসলমান লেখকদের মধ্যে একমাত্র কাজী আবুল হোসেন ছাড়া আর কেউ এত বই রচনা করেননি। এর মধ্যে আবুল হোসেন মূলত কথাসাহিত্যে খ্যাতিমান আর বন্দে আলী মিয়ার খ্যাতি সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায়। বন্দে আলী মিয়া রচিত গ্রন্থের একটা তালিকা নিম্নে প্রদত্ত হ’ল-
ক. কাব্য : ময়নামতির চর, অনুরাগ, পদ্মানদীর চর, স্বপ্নসাধ, মধুমতির চর, দক্ষিণ দিগন্ত, লীলাসঙ্গিনী, কলমিলতা, কাহিনী ও কথিকা, ধরিত্রী।
খ. গান : সুরলীলা, কলগীতি।
গ. ছোট গল্প : তাসের ঘর, কায়কল্প, নারী কলঙ্কময়ী।
ঘ. উপন্যাস : ঘূর্ণি হাওয়া, জাগ্রত যৌবন, অরণ্যগোধূলি, ঝড়ের সঙ্কেত, মনের ময়ূর, নীড় ভ্রষ্টা, নারী রহস্যময়ী, অস্তাচল, দিবাস্বপ্ন, প্রেমের বহ্নিশিখা, পরিহাস, শেষ লগ্ন, বয়সের দাবী ।
ঙ. নাটক, প্রহসন, নক্সা জাতীয় রচনা : জোয়ার ভাটা, মসনদ, উদয় প্রভাত, যুগমানব, জয়-পরাজয়, সত্যপীর, আলাদীন, সোহরাব-রোস্তম, ওমর খৈয়াম, ইউসুফ জুলেখা, গুলে বকাওলি, বৌদিদি রেস্টুরেন্ট, সতী, বাঞ্ছারাম, ঢ্যাং ।
চ. জীবন কথা : জীবন শিল্পী নজরুল।
ছ. স্মৃতি কথা : জীবনের দিনগুলি।
জ. সম্পাদনা : কাব্য বীথিকা।
ঝ. শিশুতোষ রচনাবলী : আমাদের নবী, হযরত খাদিজা, হযরত আয়েশা সিদ্দিকা, ছোটদের হযরত আলী, হযরত আবুবকর, হযরত ওমর, ছোটদের হযরত ওসমান, হযরত মুসা, হযরত ফাতেমা, বিবি আম্বিয়া, হযরত রহিমা, তাপসী রাবেয়া, হযরত বেলাল, এমাম আবু হানিফা, মুসলিম সতী নারী, উম্মাহাতুল মুমিনীন, কামাল আতাতুর্ক, হাতেম তাঈ, সিরাজদ্দৌলা, মুহম্মদ বিন কাশিম, বীরাঙ্গনা চাঁদ বিবি, হাজি মহসিন, স্যার সৈয়দ আহম্মদ, ছোটদের গান্ধিজী, ছোটদের নজরুল, কবি কায়কোবাদ, মীর মোশাররফ হোসেন, সাধক কবীর, ইসমাইল হোসেন সিরাজী, আমাদের নজরুল, কবি গোলাম মোস্তফা, ঈশা খাঁ, বেগম রোকেয়া, মাইকেল মধুসূদন, ছোটদের শরৎচন্দ্র, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, স্যার জগদীশ, সোহরাওয়ার্দী, কলম্বাস, হিটলার, আব্রাহাম লিঙ্কন, চোর জামাই, মেঘকুমারী, জঙ্গলের খবর, ছোটদের বিষাদসিন্ধু, বাঘের ঘরে ঘোগের বাসা, তিন আজগুবি, বোকা জামাই, গল্পের আসর, শিশুদের বিষাদসিন্ধু, কোরানের গল্প, হাদিসের গল্প, কারবালার কাহিনী, মৃগপরী, রূপরাণী, সোনার হরিণ, কোহিনূর, শাহনামার গল্প, শিশু ভারতী, সুন্দরবনের বিভীষিকা, রামধনুকের দেশে, দুঃসাহসীর জয়যাত্রা, গুলিস্তাঁর গল্প, চালাকি, গুপ্তধন, ভূতুড়েকান্ড, মহররম, ছোটদের আরব্য উপন্যাস, পয়গম্বরদের জীবনী, শিকারের গল্প, জঙ্গলের রাজা, মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা, বিপদের বেড়াজাল, রীতিমতো কান্ড, ছুটিরদিনের গল্প, সোনালী সকাল, পাতাবাহার, ঝিনুকপরী, কুঁচবরণকন্যা, ডাইনী বউ, রাজকন্যা কাঞ্চনমালা, সোনার কাঠি রূপার কাঠি, রূপকথা, সোনার হরিণ (২য় খন্ড), গল্পের আসর (২য় খন্ড), অতি বুদ্ধির বাহাদুরি, যেমন কর্ম তেমন ফল, ছোটদের অভিনয় ও গান, ঈশপের গল্প, আজ বাকি কাল নগদ, ইরান তুরানের গল্প, শঠে শাঠ্যাং, দুই বন্ধু, পিতার আদেশ, টো টো কোম্পানীর ম্যানেজার, অতি চালাকির বিপদ, গল্পের মজলিশ, সাঁঝের রূপকথা, রাজকন্যা মানিকমালা, গরীবের ছেলে, ভূতের হাতে, রূপবতী রাজকন্যা, দেশ-বিদেশের গল্প।
ঞ. শ্রেণী পাঠ্য বই : কাকলি, কচিপাতা, শিশুপড়া, আগে পড়ি, তাজমহল, কোহিনূর মালা, সাহিত্যের কথা ।
ট. অপ্রকাশিত গ্রন্থ : বিপদ পথে পথে, ডানপিটে, সাতরাজ্যের গল্প, অনেক দেশের গল্প, বিদেশী গল্প, বিপদে বন্ধুর পরিচয়, যেদিকে দু’চোখ যায়, গল্পে ঝরনা, নগদ সেলামী, হুতুম প্যাঁচার ছড়া, ছোটদের আবৃত্তি ও অভিনয়, নকল রাজা, বিজয়ী বীর, ভাগ্যের লিখন ।








বিস্ময়ের বিষয় এই যে, বন্দে আলী মিয়ার বেশ কিছু গ্রন্থ এখনো পান্ডুলিপি আকারে রয়েছে। এগুলো আজো সূর্যের মুখ দেখেনি। এগুলি অনতিবিলম্বে প্রকাশের প্রয়োজন। এ বিষয়ে সহৃদয় প্রকাশকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। বন্দে আলী মিয়ার মৃত্যুর পর অনেক বছর অতিক্রম হয়ে গেছে। এগুলো আগেই প্রকাশ হওয়া উচিত ছিল। উপরিউক্ত পান্ডুলিপি সমূহ মুদ্রণ, বন্দে আলী মিয়া রচনাবলী প্রকাশনার জন্য বাংলা একাডেমী কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। এবং তা যদি করা হয়, তবে আমি মনে করি কবির স্মৃতির প্রতি সব চেয়ে বেশি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে ।
তথ্য সূত্র :
১. অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত, কল্লোল যুগ
২. আবুল ফজল, সাহিত্যসাধক বন্দে আলী মিয়া
৩. আজহারউদ্দিন খান, ‘বন্দে আলী মিয়া ও বাংলা সাহিত্য’
৪. বন্দে আলী মিয়া, জীবনের দিনগুলি
৫. বন্দে আলী মিয়া- জন্ম শতবর্ষ স্মারক (প্রফেসর কামরুজ্জামান, শফিকুল ইসলাম শিবলী ও ড. মো. হাবিবুল্লাহ)